গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছে। এর মাধ্যমে দেশ যে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংকটে ছিল তার থেকে উত্তরণে প্রথম ধাপ পার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সঙ্গে একান্ত আলাপে এমন মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘৩১ দফা’ বাস্তবায়নে সরকারকে সহযোগিতা করা দলের মূল লক্ষ্য।
সমালোচনার বিষয়গুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে বিবেচনা করা হবে এবং যুক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে সেগুলোর মোকাবেলা করা হবে।’
সরকারের সিদ্ধান্ত—যে পর্যায়েরই হোক না কেন, সব ধরনের অনিয়ম বা অন্যায়ের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। সরকারের পক্ষ থেকে কারো অন্যায়কে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না—জানান তিনি।
তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে যুক্ত এবং নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে দল কী কাজ করছে? উত্তরে তিনি বলেন, ‘তরুণ নেতৃত্ব গড়ে তোলা ও নতুন প্রজন্মকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে বিএনপি নানা উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপি চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সারা দেশে তারুণ্যের সমাবেশের মাধ্যমে তরুণদের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে সামনে নিয়ে এসেছেন। এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যক তরুণকে দলীয় প্রার্থী করা হয়েছে। নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের মধ্য থেকে অনেকে মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যা তরুণ নেতৃত্বের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’
আগামীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিএনপির প্রত্যাশা ও পরিকল্পনা জানতে চাইলে শায়রুল কবির খান বলেন, ‘বাংলাদেশের আগামীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ইনশাআল্লাহ উজ্জ্বল বলে আমরা মনে করি। বিএনপি চেয়ারম্যান দেশকে একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিএনপি চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, তা দেশের কল্যাণ ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাস্তবায়ন করা হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
কামরুল হাসান মজুমদার